Showing posts with label আপ্তবাক্য. Show all posts
Showing posts with label আপ্তবাক্য. Show all posts
Tuesday, 13 October 2015
Saturday, 16 March 2013
Thursday, 2 August 2012
প্রিয় বাবার প্রতি ভালবাসা
প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালবাসা কোন দিবসের উপর নির্ভর করে না। তবুও দিবসগুলো আমাদের অন্তত কিছু ভাললাগা স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়, কিছু অমূল্য সময়কে মনে করিয়ে দেয়, যা কেটেছে ঐ প্রিয় মানুষটির সঙ্গে। বাবা দিবস বলে কখনও কোন দিবস পালন করিনি। বিশেষ কোন আয়োজন হয়নি। বাবাকে গলা জড়িয়ে বলা হয়নি, “বাবা তোমাকে ভালবাসি”। কেন যেন মনে হয় যে, এতোটা যান্ত্রিক এখনও হয়ত হইনি, যতটা যান্ত্রিক হলে বাবার জন্য আলাদা সময় বের করতে হয়।
আমার বাবাকে ছোটবেলা থেকে দেখেছি সমাজ, সভ্যতা, ধর্মীয় জ্ঞান থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছু আমাদের দুই ভাইবোনকে হাতে ধরে ধরে শেখাতেন। যদিও সময় খুব কম পেতেন, প্রতিদিন আব্বু যখন উনার ব্যবসার উদ্দেশে ঘর থেকে বের হতেন, আমরা ঘুমিয়ে থাকতাম। আবার যখন বাড়ি ফিরতেন গভীর রাতে তখনও আমরা ঘুমাতাম। পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার এবং কলতাবাজার এলাকায় কেটেছে আমার শৈশবের শুরু থেকে অনেকটা অংশ। আমাদের প্রতিবেশী এক বিহারী লোক প্রায়ই আমার আম্মাকে বলতেন, “ইমরান তো উস্কি আব্বাকো নেহি পেহেচানেগা”। আম্মা মুচকি হাসতেন। অনেক সময়ই আব্বুর ঘরে ফেরার আওয়াজ পেলে আমি জেগে উঠতাম। যে কোন বিশেষ দিন, যেমন ২১ ফেব্রুয়ারী, ১৬ ডিসেম্বর, শবে বরাত, ইত্যাদি দিনগুলোতে আব্বা পুরান ঢাকার কাচ্চি বিরিয়ানি নিয়ে আসতেন। আদর এবং শাসনের দ্বৈত রুপ দেখেছি আমার বাবার মধ্যে।
আমার বাবা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের সময় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর রেগুলার ফাইটার হিসেবে। এক অপারেশনে তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং আহত অবস্থায় অনেক লম্বা সময় তিনি হাসপাতালে ছিলেন। যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে সবাই ধরে নিয়েছিল যে আব্বা আর জীবিত ফিরবেন না। কিন্তু তিনি ফিরেছিলেন বিজয়ীর বেশে। আমার দাদার কাছে শুনেছি, আব্বা খুব রাগী ছিলেন ছোটবেলা থেকেই। কোথাও কোন অন্যায় উনি সহ্য করতেন না। মৃত্যুকে কখনও ভয় করতেন না। সদরঘাটের অনেক অস্রধারী সন্ত্রাসীকে উনি খালি হাতে পিটিয়েছেন। জীবনে উনি কোন নেশা করেননি। হারাম উপায়ে উপার্জন থেকে সর্বদা দূরে থেকেছেন। ছোটবেলা থেকেই প্রচুর পরিশ্রম করেছেন পরিবারের জন্য। ছোট ভাইদের মানুষ করেছেন, নিজের পায়ে দাড়াতে শিখিয়েছেন। উনার সততা এবং পরিশ্রমের জন্য উনি এখনও আমাদের গ্রামের বিভিন্ন জেনারেশনের কাছে জনপ্রিয়।
আমাদের দুই ভাইবোনকে আব্বা সেই সব কিছুই না চাইতে দেবার চেষ্টা করেছেন, যেটা উনি ছোটবেলায় পাননি। আব্বা মেধাবী ছাত্র ছিলেন, কিন্তু পারিবারিক কিছু কারনে গ্রাজুয়েশন করতে পারেননি। কিন্তু আমাদেরকে উনি লেখাপড়ার কোন বিষয়ে কখনও কমতি রাখেননি। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন, ধন সম্পদ মানুষকে বড় করে না, মানুষ তার মনের সমান বড়। সবসময় সবাইকে সমান দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। মানুষের যে কোন সমস্যায় এগিয়ে যাওয়াতে আব্বা সবসময় উৎসাহ দিতেন এবং এখনও দেন। মাঝে মাঝে আমি মনে মনে ভাবি যে, আমি কি আব্বার মত হতে পারব? পরমুহুর্তে চিন্তা আসে, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমি পারব না, এটা হতেই পারে না।
আপনি আমাদের গর্ব আব্বা। কোন বিশেষ দিনের জন্য আপনার প্রতি শ্রদ্ধা বরাদ্দ থাকবে না। আপনি আমাদের মনের মণিকোঠায় থাকবেন সর্বক্ষণ। সামনাসামনি হয়ত কখনও বলা হয়নি। কিন্তু পরোক্ষ ভাবে বলছি, “আব্বা, আপনাকে আমি খুব ভালবাসি।“
Tuesday, 24 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ২৩
চাঁদ আর মেঘ করে লুকোচুরি খেলা
যেমনি চলে মন সাগরে মন পবনের ভেলা।
Labels:
আপ্তবাক্য
Friday, 20 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ২২
ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে চালাও জীবন বহর
এক নিমিষেই পৌঁছে যাবে আন্তঃ শান্তিনগর।
Labels:
আপ্তবাক্য
Monday, 16 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ২১
খাট্টী হো ইয়া মিঠা হো লাইফ কা ইয়ে টেস্ট
জিন্দা হে হাম জিন্দা হি রাহু, লাইফ অল দ্যা বেষ্ট
Labels:
আপ্তবাক্য
Wednesday, 11 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ২০
সাইমুম ঝড় আসছে ওই তেড়ে, এই বুকের স্পন্দন যায় বেড়ে
মনে পরে ধুলিমাখা কথকতা, শাস্তি যা হোক পেতে নেব মাথা।
Labels:
আপ্তবাক্য
Monday, 9 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ১৯
অভিসম্পাত দেবনা আমি থাক যদিও দূরে
শুভকামনা থাকবে আমার প্রার্থনাটা জুরে
Labels:
আপ্তবাক্য
Thursday, 5 April 2012
ছোট্ট ভাবনা - ১৮
আজ তোমার এই পরিণতি তোমারই পাপের ফসল
আসবেই বাঁধা এই জীবনে, বেঁচে থাকাটাই আসল
Labels:
আপ্তবাক্য
Monday, 20 February 2012
Thursday, 2 February 2012
Tuesday, 31 January 2012
Sunday, 29 January 2012
Friday, 27 January 2012
ঈশ্বর
মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী
জিতেছে যে ঘোড়া জানেনা সে কেন দৌড়ল
ঠোঁটে ফেনা বুকে বাধ্যতা তার দৌড়নোর।
জীবন এমনই দৌড় যেখানে 'তিনি' সওয়ার
দুঃখেই বুঝি আসলে জিত সে চায় আমার।
Labels:
আপ্তবাক্য
Tuesday, 24 January 2012
বোঝা
মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী
জীবন তাসের খেলা
সেরা-পাত্তি হাতে নেই
যা ছিল তা’তেই খেলা সেরে
দেখি ‘শান্তি’ দাঁড়িয়েছে কাছেই।
Labels:
আপ্তবাক্য
Saturday, 21 January 2012
Saturday, 7 January 2012
Saturday, 31 December 2011
Monday, 5 December 2011
Thursday, 1 December 2011
Subscribe to:
Posts (Atom)




