Showing posts with label ভ্রমণ ছবি. Show all posts
Showing posts with label ভ্রমণ ছবি. Show all posts

Friday, 25 March 2016

পন্ডিচেরি

13th. Oct. 2015-য় গিয়েছিলাম পন্ডিচেরী, কন্যাকুমারী, উটি, মুদুমালাই, বান্দিপুর, মহীশুর হয়ে চেন্নাই। লম্বা সফর| ওখান থেকে FB-তে পাঠিয়েছিলাম এই ছবি ও লেখা  যা আজ 25শে মার্চ আদরের মনফসল-এ রাখছি|


মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী
এখন আমি পন্ডিচেরির বীচে বসে লিখছি। এইমাত্র অরবিন্দ আশ্রম থেকে meditation সেরে এখানে এসে বসেছি। সমুদ্রজল নাক অবধি ছুটে আসতে চাইছে। ঢেউ ভাঙ্গার শব্দ, লোনা গন্ধ, সোঁদা হাওয়া, অমাবস্যাতিথি... সব মিলিয়ে এক অনিত্য সত্য চোখের ওপর মনের ওপর তার আধিপত্য কায়েম করছে আর অন্যকে শোনানোর ছলে আমি ক্রমশ গ্রস্থ হচ্ছি, হাত ধরছি প্রকৃতির।





Thursday, 24 March 2016

এমুর ডিম ও চাঁদের গান

মঞজুশ্রী রায়চৌধুরী

নিয়ে দৌড়েছি দিন ‘দারিংবাড়ি’
রঙ উড়েছে মনে সবুজ বনের
বৃষ্টিবৃক্ষে হাত পেতেছি যত। 
আকাশ ছিল আবছায়াতে আঁকা-
ভিতরপুরের অঝোর অভিলাষা
স্বপ্নস্বপ্ন চাঁদ হয়েছে তত।
                                   
                                   ম্যাগনেটিক হিল| লাডাকে দেখেছিলাম তারপর এখানে... 'দারিংবাড়ি'তে|
                             
প্যাঁকাটির পোজ

হাটের পথে ‘কাঞ্চাম্মা’। এই হাসিটা যে কবে হাসতে পারব!!!!!!!

কফিবাগানে কালোবরণী
                                                                             
                                                                   
                                                                         ঘুর্ণিপাকে নদী                                                                                                  

কে কাকে কি বলছে কেজানে। কিংবা ছাগলা শেখাচ্ছে‘ব্যা’ সঙ্গীত, আর সঙ্গীতকার ব্যস্ত তালিমে|

লাভার্স প্যারাডাইস

জঙ্গলে...‘পুতুদি’ ঝর্ণাধারায়|

আহ্লাদী এমু



প্রাণের চাষ… এমু|

মালী, বনমালী ও খলবলূূি


, ডিম| এমুপাখীর ডিম| দেখার জন্য দশটাকা আর ভাঙলে নেবে সাড়ে বারোশো|



জঙ্গল, পুতুদি নদী ও আমরা ন’জন (সঙ্গীতকার ছবি তুলছেন)

ক্যামেরাওম্যান

নাকফুলে ‘কাঞ্চাম্মা’

শিশু ভোলানাথ



কফি আর গোলমরিচের চাষ হয় এই বাগানে
                                                                       
                                                                         পাশ ফিরে সুধী









Tuesday, 5 May 2015

'ওখরে' ও 'ভার্সে'


পশ্চিম সিকিমের 'ওখরে' ও 'ভার্সে'
 — feeling blissful 

মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী




ওখরে-র ট্যুরিস্ট হাট

বনোপথ

 'ভার্সে' ট্যুরিস্ট হাটের অন্দরে

বিছিয়ে আছে চিমল

চিমল (White Radodendran) ও চন্দন

যেতে-যেতে পিছু ফিরে দেখা 

আলোর ফুলকী হয়ে বিছিয়ে আছে চিমল

সিকিমিজ মা ওকন্যা, সঙ্গে বুলবুল

খেচিপেরী লেকের কাছে মনাস্ট্রি

পেলিং-এ পেমিয়াংশির পথ

বুদ্ধ মনাস্ট্রি- খেচিপেরী লেকের কাছে

ওখরের হোম-স্টে

ওখরে। পাশাপাশি দু'টি ঘর, দু'টি দরজা

সুরেলা দিন


সিকিমিজ ফ্যান নিয়ে নিজস্বী

পশ্চিম সিকিম- বসন্তের ভার্সে

রডোডেনড্রন (গুরান্স)

মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী

‘উদ্ধত যত শাখার শিখরে রডোডেনড্রন-গুচ্ছ।‘
তাঁর কাছে আর বাদ নেই কিছু। রবি ঠাকুর রডোডেনড্রনকে এমনভাবে আঁকলেন যে ‘পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি / আমরা দুজন চলতি হাওয়ার পন্থী‘ গাইতে-গাইতে বাঙালী পৌঁছে যাচ্ছে ‘ভার্সে’। শুধুমাত্র রডোডেনড্রনের দিকে চেয়ে। কি যে তিনি না শেখালেন... ‘রডোডেনড্রন’ শুধু রবি-কবির কবিতার লাইন ভালবাসতে-বাসতেই ভালবেসে ফেলা। বাঙালী মানসে এ’টি ঠাকুরগন্ধী ফুল। ক্ষুদ্র বোধ নিয়ে ‘তাঁর’ মত করে দেখার বা ‘তাঁর’ অনুভবে অনুভাবিত হবার যে কি নিদারুণ বাসনা। ‘আমরা চকিত অভাবনীয়ের ক্বচিত্ কিরণে দীপ্ত’ হই বা না হই- বাঙালীত্বের শরিক হতে পেরে তৃপ্ত। ‘ভার্সে’গামী হয়ে তাই আমিও ছিলাম উদ্বেল। এখানে ‘গুরান্স (Radodendran) কুঞ্জ’ একটি আছে, যেটি থাকার একমাত্র ঠিকানা- দায়িত্বে ‘বন্ধু শেরপা’। তার অভিমত- অন্য ভাষাভাষীরা শতাংশে পাঁচজন এলে বিদেশীরা আসে পাঁচজন আর বাকী নব্বইজনই বাঙালী। কি করে বোঝাই- অন্য ভাষাভাষীদের তো আর বাঙালী রবীন্দ্রনাথ নেই যে আবেগের ওমে সেঁকবে নিজেদের। আমি দেখেছি সেই আহ্লাদীপনায় মজে ‘ভার্সে’র বসন্তকাল রডোডেনড্রনীয় লাল। এমন কি সাড়ে চার কি.মি রাস্তা যখন বনের মধ্যে দিয়ে হেঁটেছি, ঘোর লাগা চোখের ওপর তখন উপছে পড়া আগুন। যেদিকে তাকাই সেদিকে সত্যিই অরুণকিরণ তুচ্ছ করা রডোডেনড্রন-গুচ্ছ।



 গুরান্সকুঞ্জ, এখানেই উঠেছিলাম

এটিও গুরান্সকুঞ্জের সামনেই- মুখোমুখি

ভার্সের কাছাকাছি পৌঁছে গেছি

ফুলোবতী

'ট্রেকার্স হাট'-এর সামনেই ফুলভারে দর্পিত রডোডেনড্রন-গুচ্ছ

স্বপ্নের মত যেন ভার্সের বনোপথ

কাছে-দূরে লালের উল্লাস

লাল রাজ্যে ফণা তুলে হঠাত্ স্নেক-লিলি

গোলাপী গুরান্স

 কুঁড়ি-পাতা-ফুলের বৈভবী গুরান্স

 চিমল ( White Radodendran)


পশ্চিম সিকিম

ভার্সে-র স্নেক লিলি
মঞ্জুশ্রী রায়চৌধুরী

স্নেক লিলি। এই প্রথম দেখলাম পশ্চিম সিকিমের ‘ভার্সে’তে। কতকিছু যে দেখার বাকী! বসন্তের রডোডেনড্রন দেখব বলেই এ’সময় যাওয়া ও উপরী পাওনা এ’টি। গুরান্স (Red Rododendron) ও চিমল (White Rododendron) এর ছবি নিয়ে আসছি পরে। আসলে স্নেক লিলি দেখে থেকে আমি বড়ই উত্তেজিত। তাও এ’টি ছোট্ট... সবে কুঁড়ি থেকে ফোটা ফুল। হোটেল বা দোকানে যে ছবি দেখেছি তার দাপটই আলাদা... কি রঙে, কি রাজকীয়তায়।
— feeling excited.